শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল

আজ ১৯ ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার স্বাধীনতার পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি-এর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মোল্লা খালিদ সাইফুল্লাহ। তিনি বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে একজন আপসহীন কণ্ঠস্বর। এই হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেই আঘাত করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই। এই দেশে পরিকল্পিত হত্যার রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না। রাষ্ট্রকে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছি, কারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। একই সঙ্গে বিচারব্যবস্থার ভেতরে যে অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়ার অভিযোগ উঠছে, সেগুলোরও অবিলম্বে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

 

সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ বলেন, আজ আমরা গভীর দুঃখ ও উদ্বেগের সঙ্গে প্রশ্ন তুলছি। একজন পরিচিত ও সাহসী কণ্ঠস্বর প্রকাশ্যে হত্যার শিকার হলেও প্রশাসনের নীরবতা কেন? আজ হাদি, আগামীকাল কে—এই অনিশ্চয়তা পুরো জাতিকে শঙ্কিত করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকবে। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।

 

আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন, সভাপতি পরিষদ সদস্য আশরাফুল ইসলাম সাদ, মাহদী হাসান শিকদার, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাবীবুল্লাহ মিসবাহ ও কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম।

 

এছাড়াও সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আরো পড়ুন

যোগদিন আমাদের সাথে

ইসলামের মূল তিন কাজ- তা’লীমে দ্বীন (দ্বীনের শিক্ষা), তাবলীগে দ্বীন (দ্বীনের দাওয়াত) ও তাগলীবে দ্বীন (দ্বীনের বিজয়) এর সমন্বয়ে ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য পাঁচ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১. দাওয়াত, ২. সংগঠন, ৩. প্রশিক্ষণ, ৪. সমাজকল্যাণ, ৫. আন্দোলন। আমি বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঘোষিত কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করছি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এ সংগঠনে যোগদান করছি।

Scroll to Top