প্রেস বিজ্ঞপ্তি সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত জনসম্মুখে বিচারের সামনে আনতে হবে।

গতকাল রোজ মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় রাজধানীর পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার কে ধর্ষণ পরবর্তী নির্মম হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ, গভীর শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।
আজ ২০ শে মে রোজ বুধবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ এবং সভাপতি পরিষদ সদস্য মোঃ দিদারুল ইসলাম ও হাবিবুল্লাহ মিসবাহ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশে একের পর এক শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা প্রমাণ করে রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থা ভয়াবহ সংকটে নিমজ্জিত। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আজ সমাজকে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে, যেখানে নিষ্পাপ শিশুরাও হিংস্রতার শিকার হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছরের মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণের পর জাতি আশাবাদী ছিল যে অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ বন্ধ হবে। কিন্তু বাস্তবে বিচারহীনতা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। রামিসা হত্যাকাণ্ড সেই ব্যর্থতারই নির্মম প্রতিচ্ছবি।
তারা বলেন, ইসলামের ইতিহাসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাসনামল ও খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগে কঠোর, দ্রুত ও ন্যায়ভিত্তিক বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—অপরাধীদের প্রতি দুর্বলতা নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই সমাজকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশে বারবার শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিচার দীর্ঘায়িত হয় কিংবা প্রভাবশালীদের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে অপরাধীরা বুঝে গেছে যে এই দেশে ভয়াবহ অপরাধ করেও পার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জাকের হোসেন ওরফে সোহেল রানা সহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত এবং প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার কার্যকরের দাবি জানায় । একইসঙ্গে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে দেশে ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও কার্যকর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের প্রতি কঠোর আহ্বান জানায় ।
বার্তা প্রেরক
মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক
০১৯৫৫-২৪০৪৭৭

শেয়ার করুন

আরো পড়ুন

যোগদিন আমাদের সাথে

ইসলামের মূল তিন কাজ- তা’লীমে দ্বীন (দ্বীনের শিক্ষা), তাবলীগে দ্বীন (দ্বীনের দাওয়াত) ও তাগলীবে দ্বীন (দ্বীনের বিজয়) এর সমন্বয়ে ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য পাঁচ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১. দাওয়াত, ২. সংগঠন, ৩. প্রশিক্ষণ, ৪. সমাজকল্যাণ, ৫. আন্দোলন। আমি বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঘোষিত কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করছি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এ সংগঠনে যোগদান করছি।

Scroll to Top