শাপলা চত্বরের গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নির্মম ও কলঙ্কিত অধ্যায়

আজ ৮ মে ২০২৬, শাপলা গণহত্যার বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে প্রতিবাদী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকার কাকরাইল মোড় থেকে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাইকোর্ট চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
প্রতিবাদী পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল আজিজ বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের তীব্র সমালোচনা করে বলেন:
“শাপলা চত্বরের গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নির্মম ও কলঙ্কিত অধ্যায়। বিগত স্বৈরাচার সরকার তাদের পেটুয়া বাহিনী ও লীগ সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে যেভাবে রাতের অন্ধকারে নিরীহ ও নিরস্ত্র মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তা ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।”
তিনি বর্তমান প্রশাসনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আরও বলেন:
“এত বড় একটি গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার গঠিত হলেও শাপলা চত্বরের গণহত্যার বিচারের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। আমরা সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই- যদি ফ্যাসিস্টদের মতো করুণ পরিণতি দেখতে না চান, তবে আর কালক্ষেপণ না করে অতিশীঘ্রই শাপলা গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করুন।”
প্রতিবাদী পদযাত্রায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ মিসবাহ ও দিদারুল ইসলাম। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বার্তা প্রেরক
মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সমন্বয়ক
01955240477

শেয়ার করুন

আরো পড়ুন

যোগদিন আমাদের সাথে

ইসলামের মূল তিন কাজ- তা’লীমে দ্বীন (দ্বীনের শিক্ষা), তাবলীগে দ্বীন (দ্বীনের দাওয়াত) ও তাগলীবে দ্বীন (দ্বীনের বিজয়) এর সমন্বয়ে ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য পাঁচ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১. দাওয়াত, ২. সংগঠন, ৩. প্রশিক্ষণ, ৪. সমাজকল্যাণ, ৫. আন্দোলন। আমি বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঘোষিত কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করছি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এ সংগঠনে যোগদান করছি।

Scroll to Top